
এই নির্বাচনে সত্যিই আমি এক ভিন্ন আবহ অনুভব করছি—যা আমাকে গর্বিত করে। আমাদের এই আসনে প্রার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সম্মানের যে চর্চা দেখা যাচ্ছে, তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।
গত সপ্তাহে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কার্যালয়ে গেলে সেখানকার নেতৃবৃন্দের আন্তরিক স্বাগত পেয়েছি। আজ স্থানীয় প্রচারের অংশ হিসেবে ঈদগাহে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র কার্যালয়ে গিয়ে ভাই কুরেশীসহ অন্যান্য পরিচিতজনের কাছ থেকেও একই আন্তরিকতা ও সম্মান পেয়েছি।
রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌজন্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই আসনের নির্বাচনে এমন দৃশ্য আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি।
এই নির্বাচন বিশেষ—প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে নয়, বরং পারস্পরিক সম্মানের কারণে। এটি বিয়ানীবাজার–গোলাপগঞ্জ এলাকার রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দেয় এবং একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের আশার বার্তা দেয়।
সবার প্রতি আমার অন্তরের গভীর কৃতজ্ঞতা।
আসুন, এই সৌহার্দ্য ও সম্মানের ধারা আমরা বজায় রাখি। 🤝🇧🇩
সম্মান। ঐক্য। গণতন্ত্র।